বিজ্ঞাপন
নিজস্ব প্রতিবেদক : গোলাপগঞ্জে একটি রাস্তার জন্য ৬গ্রামের হাজারো মানুষ চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। উপজেলার ভাদেশ্বরের মীরগঞ্জস্থ হযরত সায় শাম্পান (র.) এ রাস্তাটি দুই কিলোমিটারের মধ্যে অর্ধেক পাকাকরণ হলেও অবশিষ্ট এক কিলোমিচার রাস্তা পাকাকরণ করা হয়নি। ফলে বর্ষা মৌসূমে এ এলাকার স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসায় পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রীরা কাদা ও ময়লা পানি মাড়িয়ে যাতায়াত করতে হয় দুর্ভোগের মধ্যে। বিশেষ করে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা পড়েন বেকায়দার মধ্যে।
এলাকাবাসী জানান, উপজেলার ভাদেশ^রের মীরগঞ্জ থেকে প্রায় ২কিলোমিটার রাস্তার মধ্যে এক কিলোমিটার রাস্তার উন্নয়নমূলক কাজ করা হয় ২০১৬সালে। এরমধ্যে ঠিকাদারি প্রতিষ্টান অবশিষ্ট কাজ ফেলে চলে যায়। ফলে বন্ধ হয়ে যায় রাস্তার অবশিষ্ট অংশের কাজ। এরপর এলাকাবাসী সরকারের বিভিন্ন দফতরে রাস্তাটি পাকাকরণের জন্য অনেক আবেদন করেছেন।
কিন্ত কাজের কাজ কিছুই হয়নি। রাস্তাটি পাকাকরণ না হওয়ায় চরম দুর্ভোগের মধ্যে যাতায়াত করছেন এলাকার শেখপুর, গোটারগাও, কাটাকালির পাড়, গোয়াসপুর, নিয়াগুল, কাদিপুর ও পানিয়াগাসহ ৬গ্রামের হাজারো মানুষ।
শেখপুর এলাকার বিশিষ্ট মুরব্বি ও উপজেলা জাপার যুগ্ন সম্পাদক আলহাজ্ব নুরুল আম্বিয়া আক্ষেপ করে বলেন হযরত সায় শাম্পান রাস্তাটি অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ রাস্তা দিয়ে ৬গ্রামের শত শত মানুষ যাতায়াত করছেন। বৃষ্টির দিনে তাদের দুর্ভোগের সীমা থাকেনা। তিনি রাস্তাটি পাকাকরণের জোর দাবি জানান।
৮নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি ও বিশিষ্ট সমাজকর্মী আব্দুল আলী বলেন, শুনেছি এ রাস্তার জন্য ডিও লেটার হয়েছে। অথচ অদৃশ্যের কারণে রাস্তাটি পাকাকরণ করা হচ্ছেনা। শেখপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নগেন্দ্র কুমার দাশ বলেন, বৃষ্টির দিনে আমার স্কুলের কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীরা প্রায় এক কিলোমিটার রাস্তা কাদা ও ময়লা পানি মাড়িয়ে ঝুকি নিয়ে স্কুলে আসা যাওয়া করছে।
জানতে চাইলে উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) মাহমুদুল হাসান বলেন, আমি এ রাস্তাটি সম্পর্কে পুরোপুরি অবগত নই খোঁজ নিয়ে বিষয়টি দেখব।
এলাকাবাসী জানান, উপজেলার ভাদেশ^রের মীরগঞ্জ থেকে প্রায় ২কিলোমিটার রাস্তার মধ্যে এক কিলোমিটার রাস্তার উন্নয়নমূলক কাজ করা হয় ২০১৬সালে। এরমধ্যে ঠিকাদারি প্রতিষ্টান অবশিষ্ট কাজ ফেলে চলে যায়। ফলে বন্ধ হয়ে যায় রাস্তার অবশিষ্ট অংশের কাজ। এরপর এলাকাবাসী সরকারের বিভিন্ন দফতরে রাস্তাটি পাকাকরণের জন্য অনেক আবেদন করেছেন।
কিন্ত কাজের কাজ কিছুই হয়নি। রাস্তাটি পাকাকরণ না হওয়ায় চরম দুর্ভোগের মধ্যে যাতায়াত করছেন এলাকার শেখপুর, গোটারগাও, কাটাকালির পাড়, গোয়াসপুর, নিয়াগুল, কাদিপুর ও পানিয়াগাসহ ৬গ্রামের হাজারো মানুষ।
শেখপুর এলাকার বিশিষ্ট মুরব্বি ও উপজেলা জাপার যুগ্ন সম্পাদক আলহাজ্ব নুরুল আম্বিয়া আক্ষেপ করে বলেন হযরত সায় শাম্পান রাস্তাটি অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ রাস্তা দিয়ে ৬গ্রামের শত শত মানুষ যাতায়াত করছেন। বৃষ্টির দিনে তাদের দুর্ভোগের সীমা থাকেনা। তিনি রাস্তাটি পাকাকরণের জোর দাবি জানান।
৮নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি ও বিশিষ্ট সমাজকর্মী আব্দুল আলী বলেন, শুনেছি এ রাস্তার জন্য ডিও লেটার হয়েছে। অথচ অদৃশ্যের কারণে রাস্তাটি পাকাকরণ করা হচ্ছেনা। শেখপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নগেন্দ্র কুমার দাশ বলেন, বৃষ্টির দিনে আমার স্কুলের কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীরা প্রায় এক কিলোমিটার রাস্তা কাদা ও ময়লা পানি মাড়িয়ে ঝুকি নিয়ে স্কুলে আসা যাওয়া করছে।
জানতে চাইলে উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) মাহমুদুল হাসান বলেন, আমি এ রাস্তাটি সম্পর্কে পুরোপুরি অবগত নই খোঁজ নিয়ে বিষয়টি দেখব।